ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে শফিউল আযম লেনিনই সভাপতি হিসাবে জনপ্রিয়

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী।জামাত-বিএনপি’র আতঙ্কের নাম,যার কঠোর পরিশ্রম বলিষ্ঠ নেতৃত্বে রাজপথে থেকে লড়াই-সংগ্রাম দাঙ্গা হাঙ্গামা হামলা-মামলা। সবকিছুই উপেক্ষা করে যিনি রাজপথ থেকে কখনো সরে দাঁড়ায়নি,বহুবার জামাত-বিএনপি’র হাতে নির্যাতিত বহুবার কারাবরণ করেছেন, বহু আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকার রাজপথ দিনের পরে দিন রাতের পর রাত শ্লোগান শ্লোগানে মুখরিত থাকা সাবেক ছাত্রনেতা,ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ৭২ টি মামলা শিকার, ২০০১ সালে নিবার্চন পরবর্তী সময়ে যখন আওয়ামী লীগের এক গ্রুপ আওয়ামী লীগের রাজনীতি টা কে শ্যামনগর থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তখন, তৎকালীন ৪দলীয় ঐক্য জোটের ষড়যন্ত্র এবং আওয়ামী লীগের অবকাঠামো শক্তি কে যিনি যারা শেষ করতে চেয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান নিয়ে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম কে মোকাবেলা করেছেন তিনি লেনিন আমার জানামতে তার মত এত নির্যাতিত সাতক্ষীরার আর কোন নেতার উপর হয় নাই যার কাছে ব্যাক্তি না দল আগে, যিনি কখনও নিজের ভাগ্য সুপ্রসন্ন করার রাজনীতি করি নাই যিনি শ্যামনগর কালীগঞ্জের আংশিক আসনের অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করেন । যার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সাতক্ষীরার -০৪ তথা শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নের পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় আজ সাতক্ষীরার মাটিতে আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা আপার কাছে আকুল আবেদন আপনি মমতাময়ী আপনি প্রতিটা কর্মীর খবর রাখেন মমতাময়ী নেত্রী এই শ্যামনগরে একদিন দুঃসময় ছিলো তখন সবাই নিজের জিবন নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল কেউ দলের খোঁজ রাখেনি মমতাময়ী নেত্রী সেই এই লেনিন লোকজন নিয়ে নিজের কথা না বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হতে পালিয়ে যায়নি প্রতিবাদ করেছিলো, মমতাময়ী নেত্রী ১/১১ কে বা কারা দলের দুঃসময়ে রাজপথে ছিলো আপনি সব জানেন মমতাময়ী নেত্রী আগামী ০১ ডিসেম্বর শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি- বার্ষীক সম্মেলন মমতাময়ী এই সম্মেলনে কর্মীবান্ধব জননেতা বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। জনাব জি এম শফিউল আযম লেনিন ভাইকে শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পেতে চায়।

You might also like More from author