মুন্সিগঞ্জ চুনকুড়িতে জনসাধারনের চলাচলের রাস্তা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগটি তদন্তে সত্যতা প্রমান

কোন টিভি প্রতিনিধিঃ

গতকাল ২৬ শে ফেব্রুয়ারী-২০২০ সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলার ৭নং মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন ভ‚মি অফিসের দায়িত্বে নিয়োজিত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আইনুল হক মুন্সিগঞ্জ চুনকুড়ি গ্রামে জনসাধারননের চলাচলের রাস্তা ৫৯৮৪/৮৮-৮৯ নং বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অভিযোগটি সত্যতা প্রমানতি পেয়েছে। এসময় স্থানীয় শতাধিক জনসাধারণ, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্তীদের উপস্থিতিতে বিবাদী চুনকুড়ি গ্রামের মৃত আকের আলী মোড়লের পুত্র আব্দুল বাড়ী মোড়ল ও তার ভাগ্নে ১৭৯নং পাতাখালী চরচন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাতাখালী গ্রামের গোলাপ কবিরাজের পুত্র মোঃ রফিুল ইসলাম সরকারী রাস্তা ভরাট সহ রাস্তা উন্মুক্ত পূর্বক মৎস্য ঘের পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান করেন। এর পূর্বে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম এর বন্দোবস্ত দলিল ও জাতীয় পরিচয় পত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, তিনি যে সময় বন্দোবস্ত গ্রহণ করেছেন তখন তার বয়স ছিল ১৭ বছর যাহা সম্পূর্ণ বন্দোবস্ত আইন পরিপন্থী এবং এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, তিনি অত্র এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা না ও ভূমিহীনও নন বা তিনি নিজে অত্র জমি ভোগদখল করেন না এবং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়েও বন্দোবস্ত গ্রহণ করেছেন যাহা সম্পূর্ণ বন্দোবস্ত নীতিমালা লঙ্ঘন। উপস্থিতি গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনসাধারণ ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আইনুল হক’কে রাস্তাটি ভূমিদস্যুদের কবলথেকে উদ্ধার করে জনসাধারনের চলাচলের স্বার্থে বন্দোবস্তটি বাতিল করার জন্য দাবি জানানোর কথা বললে তিনি বন্দোবস্তটি বাতিল করে রাস্তাটি বহল রাখার বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন প্রদান করবেন মর্মে সকলকে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আইনুল হকের এমন তদন্তে এলাকাবাসী ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

You might also like More from author