যেখানে রাজকুমার-রাজকুমারীরাও খেটে খায়ঃ

মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী, বিশেষ প্রতিবেদক, গন টেলিভিশন।

রাজপ্রাসাদ নেই, মসনদও নেই, কিন্তু সিঙ্গাপুরে রাজকুমার, রাজকুমারীরা আছেন৷ দেখে চেনা যায় না তাঁদের৷
যাদের নামের সঙ্গে ‘টেঙ্কু’ আছে, বুঝতে হবে তাঁরাই রাজকুমার বা রাজকুমারী৷ কোন বংশের রাকজুমার বা রাজকুমারী? কেন সুলতান হুসেইন শাহর কথা মনে নেই? তাঁর সঙ্গে চুক্তি করেই তো সিঙ্গাপুরে উপনিবেশিক শাসন শুরু করেছিল ব্রিটেন৷

গত শতকের শেষ দিকেও জরাজীর্ন এক রাজপ্রাসাদে গাদাগাদি করে থাকতেন তাঁরা৷ তখন রাজপ্রাসাদে অবশ্য সুলতানের ৭৯জন বংশধরের মধ্যে মাত্র ১৪জন ছিলেন৷ মাসোহারার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের রাজপ্রাসাদ ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সরকার৷

সেই রাজপ্রাসাদ এখন জাদুঘর৷ রাজবংশের হয়েও টেংকু শওল, টেংকু আজান, টেংকু ইন্দ্র, টেংকু ফজল বা প্রিন্সেস পুতেরিকে এখন সেখানে যেতে হয় বেড়াতে৷

তাঁরা যে এখন সাধারণ মানুষ!

টেংকু ইন্দ্র কনসালট্যান্ট, তার ছেলে টেংকৃ আজান ব্যবসায়ী, প্রাসাদচ্যুত হওয়ার পর কিছুদিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করা টেংকু ফয়জল ট্যাক্সিচালক আর টেংকু পুতেরি এখন বায়োটেক ফার্মের কর্মী৷

টেংকু ইন্দ্র বলছিলেন, ‘‘আপনি রাজপরিবারের কিনা তা আর এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পারিবারিক সূত্রে পাওয়া কোনো পরিচয় দিয়ে নয়, এখন জীবিকা নির্বাহ করতে হয় মেধা দিয়ে৷

You might also like More from author